মিথিলা এবং খানকিরা
___________
আমার পূর্বোক্ত সকল পোস্টের
ফলাফল হচ্ছে এই পোস্ট-
সবসময় আমি বলেছি যে এই দেশের স্কুল,কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে গড়ে উঠছে হাজার হাজার খানকি।
মিথিলা হচ্ছে তেমনই একজন খানকি৷
একটা কথা মনে রাখবেন,
দেশে দুই প্রকারের খানকি আছে বলেই আমরা জানি৷
এক প্রকার হচ্ছে তারা যারা অসহায়,গরীব,পেট ও পরিবার চালাতে তাদের যোনি বেঁচতে হয়৷
এদেরকে আমি অবশ্য সম্মান করি,খানকি বলিনা,বলি শ্রমজীবী। কারন এরা শ্রম দেয়,টাকা আয় করে,সংসার চালায়,জীবন সংগ্রাম করে৷
এদের এই জীবন বরণ করার পিছনে সম্পর্ণ দায়ী সমাজ ও রাষ্ট্র৷
দ্বিতীয় প্রকারের খানকি হচ্ছে তারা যারা প্রেম ও বন্ধুত্বের নামে সেক্স আনন্দ পেতে চায়৷
এরা স্কুল,কলেজ ও ভার্সিটিতে পড়ে৷
বাপ-মা অল্প বয়সে আদর করে এদের হাতে তুলে দেয় ধামড়া ধামড়া ফোন,ওসব ফোনে তারা প্রথমে ভারতীয় হট হট হিন্দি গান শোনে৷
আপনার কি মনে হয়?
ওসব ওদের যোনি কাঁপায় না?
ওদের প্লাজু কামরসে ভেজায় না?
ওদের শিরায় শিরায় শিহরণ জাগায় না?
এই তিনটি প্রশ্নের উত্তর একটাই "হ্যা"৷
আর এর ফলাফল জানতে চান?
চোখ খুলে তাকিয়ে দেখুন চারপাশে৷
খোঁজ নিয়ে দেখুন স্কুল-কলেজ মেয়েদের প্রচুর ছেলে ফ্রেন্ড থাকে৷
ওই মেয়েরা ফোনে ওসব হট হট গান শুনে প্রচন্ড গরম হয়ে থাকে,তখন তারা যেকোনো মূল্যে ছেলেদের একটু ছোঁয়া পেতে চায়৷
সেই ছোঁয়া পেতে তারা ছেলেদের ডাকে-
" দোস্ত","বন্ধু","শয়তান",ফাজিল ইত্যাদি ইত্যাদি বলে আর এসব বলে বলে তাদের ছুঁয়ে দেয়,হাত ধরে,থাপ্পড় দেয় গায় ৷
ওই ছোঁয়াতেই তাদের যোনির পর্দা পেখম মেলে দেয়,ভিজে যায়৷
এরপর যখন মিথিলার মতো ভার্সিটিতে ওঠে তখন তাদের যোনি পুরোপুরি পেখম মেলার জন্য প্রস্তুত হয়ে যায়৷ তখন আর ছোঁয়াতে কাজ হয়না৷
চাই লোহার দন্ড। প্রাথমিক অবস্থায় লৌহদন্ড না পেয়ে তারা নিজেদের আঙুল,ব্রাশ ও মোমবাতী দিয়ে কাজ চালায়৷
মনে রাখবেন,
এই টাইপের খানকিরা বেশিরভাগই সুন্দরী,রূপবতী ও মায়াবতী হয়৷
তাই তাদের যোনী খনন করতে খননকারীর আবেদন আসে অনেক৷
সেই আবেদনে তাহসানের মতো অসংখ্য জেন্টেলম্যান থাকে যাদের প্রস্তাব মেয়েরা ফিরিয়ে দেয়৷
ভাবছেন,তাহলে কেন মিথিলা তাহসানকে ভালবেসে ছিল ?
কারন একটাই,
তাহসানের খ্যাতি৷তাহসান তখন সাড়া জাগানো বাঙলা ব্যান্ড ব্ল্যাকের ভোকাল ছিল,আবার বেশ সুদর্শনও ছিল৷
তাই মিথিলা রাজি হলো৷
আমি মনে করি,
১১ বছর মিথিলা তাহসানের সাথে অনিচ্ছায় সংসার করেছে৷
কারনটা একটু পর বলবো৷
ফিরে আসি,
খানকিদের ভার্সিটিতে ওঠায়,হ্যা তখন যোনির পর্দা পেখম মেলে দেয়৷ তখন যোনি চায় শক্ত খননযন্ত্র।
সেই সময় মেয়েদের কাছে অনেক প্রেমের অফার আসে৷
৯৯ ভাগ জেন্টলম্যানের অফারই মেয়েরা ফিরিয়ে দেয় এবং তাদেরকে বুকে টেনে নেয় যারা বখাটে,গান্জাটে ও মাগীবাজ,বিভিন্ন দলের নেতা ৷
কারন মেয়েরা জানে,
এই টাইপের ছেলেরা যোনিবাজ হয়,মেয়েদের শরীর কায়দা মতো খেতে পারে৷
আর ওইসময়,মেয়েরা নিজেদের মন তাকেই দেয় যারা তাদের শরীর খেতে পারবে৷
এইজন্য খেয়াল করবেন,
স্কুল থেকে ইউনিভার্সিটি পাশ করে বেরিয়ে গেলেও অধিকাংশ জেন্টেলম্যানরাই সিঙ্গেল থাকে নয়তো ছ্যাকা খায়,নয়তো প্রত্যাখানের ব্যথা নিয়ে ঘুরে বেড়ায় আর সুন্দরীদের ভেবে ভেবে বাথরুমে বসে হস্তমৈথুন করে৷
তারাও তো ছেলে,
বিয়ের আগে মেয়েদের শরীর খাওয়ার ইচ্ছে নেই বলে তাদের কপালে হয়তো প্রেম জোটেনা তাই বলে তো আর তারা সেক্স অক্ষম নয়,তারা হচ্ছে সত্যিকার প্রেমিক,যৌন উত্তেজনা বাথরুমে ঢেলে দিবে তবু প্রেমিকার যোনিতে ফেলে ভালবাসার অনুভূতি নষ্ট করবেনা৷
যাহোক,
এবার ফিরে আসি মিথিলার সংসারে৷
মিথিলা তাহসানের সাথে ১১ বছর সংসার করেছে৷
ব্যক্তিগত ভাবে আমি মনে করি,
এটা অনেক বেশি সময়,মিথিলা আরো আগেই এই কাজ করতে চেয়েছিলো কিন্তু আগেই মিডিয়া তাদের সম্পর্ককে যে পর্যায়ে তুলে রেখেছে তাতে মিথিলা হয়তো সাহস পায়নি।
কিন্তু মনে রাখবেন,শরীরের খিদে অনেক বড় অসুখী করে দেয় মেয়েদের৷
আর মেয়েরা একটা কথা মনে রাখবেন-
সুদর্শন ছেলেরা কখনো বিছানায় মেয়েদের পূর্ণ সুখ দিতে পারেনা।
এর মানে এটা বলছিনা যে,
তাহসান অক্ষম৷
আমি শুধু যেটা সত্য সেটাই বলছি,
যেসব পুরুষ খুব বেশি রূপবান তারা হার্ড সেক্সে দূর্বল হয়৷ তাহসান একজন অতি সুদর্শন জেন্টেলম্যান মানুষ,সে কখনোই মিথিলার সাথে এনাল সেক্স করেনি এটা আমি নিশ্চিত।
কিন্তু মিথিলার মতো মেয়েদের এনাল সেক্সটা খুব দরকারী,তারা সেক্সে ওয়াইল্ড স্বাদ পেতে চায়৷
ডিভোর্স পরবর্তী মিথিলার সম্পর্কগুলোর দিকে তাকালেই বুঝবেন-
জন কবির,সৃজন,ফাহমী কেউ ই কিন্তু তাহসানের মতো সুদর্শন জেন্টেলম্যান নয়৷
ব্যাপারটা ক্লিয়ার?
সেদিন ভোরে যে মিথিলা এনাল,ওয়াইল্ড ও ডগিতে মেতেছিল আশা করি এই ব্যাপারটাতে সবাই ক্লিয়ার৷
এবার আসি বাকী খানকিদের ব্যাপারে৷
মিথিলার মতো এরকম সেক্স পাগল মেয়েতে সব জায়গাতে ভরে গেছে৷
তারা নিজেদের সেক্স জ্বালা মিটাতে গিয়ে সত্যিকার মানুষ,সত্যিকার প্রেমিকদের কষ্ট দেয়৷
তাহসান ভাই তেমনই একজন ভিকটিম৷
এই ব্যাপারটা যদি প্রথমেই তাহসান-মিথিলা জানতো তবে একটা নিষ্পাপ শিশু ভিকটিম হতো না৷
জানবে বা কিভাবে,
১১ বছর আগে তো আর আমি লিখতাম না ☺
কিন্তু আপনারা তো জানলেন নাকি?
তাই সাবধান৷
বইয়ের দোকানের থেকে কসমেটিকসের দোকানের ভিড় দেখেই বুঝা যায় এদেশে কি ভয়ংকর ভাবে খানকি বাড়ছে৷
ধন্যবাদ।।
(
Comments
Post a Comment